Thursday, August 22, 2019

মধ্যবিত্ত পরিবারের
ছেলেদের জীবনে বয়ে যাওয়া কিছু
কথাঃ-
·
১) পকেটে ১০ টাকা
নিয়ে কলেজে গিয়ে,
কিছু পথ হেঁটে ৫টাকা বাচিয়ে ক্লান্ত
হয়ে বাসায়
ফেরার পথে বাকি
৫ টাকা দিয়ে
হোটেলে বসে ৫ টাকার
এক পিচ্স সিংগারা
যখন মুখে দিবে ঠিক
তখন পেছন থেকে
পুরোনো এক বন্ধু এসে বললো ¸
☞ "একাই খাবি
আমারে দিবি না"
তখন এক
ফোটা জ্বল
ফেলে হাতের খাবার
টা তাকে দেওয়া।
·
২) বন্ধুরা যখন তাদের Girlfriend
কে নিয়ে
ঘুরাঘুরি করে তখন
চুপচাপ ক্যান্টিনে বসে এক
গ্লাস পানি খেয়ে থাকা আর
তাদের
লাভ স্টোরি দেখা।
·
চুপচাপ বসে থাকার
কারন, হলো মধ্যবিত্ত
পরিবারের
ছেলেদের
ভালোবাসার অধিকার
নেই বললেই চলে।
·
মেয়েরা তাদের
এভোয়েড করে চলে...!
.
৩) আমাদের মত
মধ্যবিত্ত ও নিম্ন
বিত্ত পরিবারের ছেলেদের
কপালে প্রেম ঝুটে না।
·
আর, কি করেই বা
ঝুটবে আমাদের তো
Bike নাই, কিংবা Moneybag টা ও
সব সময় মোটা
থাকে না।
·
৪) টিউশনির টাকা
চাইতে গেলে ,
☞ এ মাসে হবেনা পরের মাসে নিশ।
·
৫) কলেজ/টিচারের
বেতন দিতে
Late Fee কমানোর জন্য
অনুরোধ।
·
৬) রোজ কলেজে যাবার
সময় বাবার সাথে
কথা কাটাকাটি
অতঃপর মুখ কালো করে
ঘর থেকে বের হওয়া।
·
৭) পেটে খাবার না
থাকলেও কেউ কেমন
আছো জিগ্গেস করলে হাসি- মুখে¸
☞ ভালো আছি বলা ।
·
৮) অনেক পুরোনো
বন্ধুদের সাথে দেখা হলে,
তারা চা/
সিগারেট খেতে চাইলে
মুখ ভার করে
"সরি দোস্ত
বেতন
পাইনি/মানিব্যাগ
ভুলে বাসায়
রেখে অসছি" বলা....
.
৯) বন্ধুরা যদি পিকনিক অথবা
কোনো প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য Invite
করে,
তাহলে তাদের
কাছ থেকে টাকার অভাবের
কথা লুকিয়ে বলা
·
"নারে
দোস্ত আমার
টিউশনি
আছে সামনেই আমার
ছাত্র বা ছাত্রীর পরীক্ষা
পরে আরেকদিন যাবোনি।
.
১০) বাবা মায়ের জন্য
কবে কিছু করবে ?
কবে সব ব্ন্ধুদের
মন মতো চলতে পারবে
সেই চিন্তায় থাকা!
·
১১) নিজের জন্য কিছু
কিনতে হলে কিভাবে
টাকা বাচাঁনো
যায় সেই চিন্তা করা।
·
·
এছাড়াও অনেক
অভিনয়ের মধ্যে
আমাদের

  • জীবন চালাতে হয়...।

Thursday, June 13, 2019

প্রিয় বাংলাদেশ যুব কল্যাণ ঐক্য পরিষদের সদস্য বৃন্দ।
আচ্ছালামুয়ালাইকুম
আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে
আগামী ১৯ জুন রোজ বুধবারের কাউন্সিলে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাদের নাম ও ঠিকানা আহবানকরা যাচ্ছে   

Wednesday, June 12, 2019

বন্ধ হোক ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম

বন্ধ হোক ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম
দেশে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বেড়েই চলেছে। এ কারণে শিশুদের দৈহিক গঠনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। কাজের লোক হিসেবে শিশুদের দিয়ে ভারি কাজ করানো হচ্ছে।
জীবিকার তাগিদে কর্মে নিয়োজিত দেশের লাখ লাখ শিশুর নীরব ক্রন্দন কেউই লক্ষ করছে না। অনেক শিশু ভিক্ষাবৃত্তির পথও বেছে নিচ্ছে।
অনেক বাবা-মা শিশুদের অর্থ উপার্জনের তাগিদে অন্যের বাসায় কাজ করতে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে চলে শিশুদের ওপর শারীরিক-মানসিক নির্যাতন। কাজে একটু ত্রুটি হলেই শিশুদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
অনেক বাবা-মার অবস্থা ভালো হওয়া সত্ত্বেও শিশু সন্তানদের ভিক্ষা করতে পথে নামিয়ে দেয়। এ প্রবণতা দেশ ও জাতির জন্য বড়ই লজ্জাজনক।
শিশুশ্রম বন্ধে তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ আজকাল সমাজে লক্ষ করা যায় না। রাস্তা-ঘাটে, অলিতগলিতে দেখা যায় শিশুদের ভারি কাজ করতে, ইটের ভাটায় ইট নামানো, এমনকি বাস-লেগুনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অল্প বয়সেই শিশুরা হেল্পারি করছে। গাড়িতে-লঞ্চে পণ্য উঠানো-নামানোর কাজও করছে শিশুরা।
পড়াশোনা বাদ দিয়ে অনেক শিশু দোকানে কাজ করছে। যে বয়সে শিশুদের পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকার কথা, স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সে শিশুরা পরের বাড়িতে কাজ করছে।
আজকাল ভারি কাজেও শিশুদের লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে। সমাজের কর্ণধাররা শিশুদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। সঠিক তদারকির অভাবে শিশুরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
দেশে শিশু অপহরণ বেড়ে গেছে। অপহরণ করে বাবা-মার কাছে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। বাবা-মা মুক্তিপণের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে শিশুকে মেরে ফেলা হচ্ছে।
অসাধুদের এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড ক্রমেই বেড়ে চলেছে। পুরনো কলহের জের ধরেও সন্ত্রাসীরা পিতা-মাতাকে বিপদে ফেলতে নানা কৌশলে শিশুদের অপহরণ করছে। আর কতদিন চলবে এসব? এ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে হবে আমাদের।
দেশে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোনো শিশুকে যেন অর্থের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা না হয় সেজন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই বিপথগামী শিশুদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সবার দায়িত্ব। সঠিক বয়সে শিশুকে স্কুলে পাঠাতে হবে। বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন সহযোগিতায় দরিদ্র শ্রেণীর শিশুদের শিক্ষার নানা ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপবৃত্তির সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
তাই অভিভাবকদের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা থাকা সত্ত্বেও শিশুদেরকে স্কুলে পাঠাতে হবে। অল্প বয়সেই শিশুরা যেন কুপথে না যেতে পারে সেজন্য পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই।
শিশু নির্যাতন ও অপহরণ বন্ধ এবং শিশুশ্রম রোধ করে দেশের সব শিশুকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছি।